প্যকেজে যা যা থাকবেঃ
১. সকল লোকাল ট্রান্সপোর্ট খরচ
২. জাফলং, সাদাপাথর, ভোলাগঞ্জ
৩. নৌকা ভাড়া
৪. ৬ বেলা খাবার।
৫. চট্টগ্রাম থেকে সিলেট আসা-যাওয়া ননএসি বাস
৬. ঢাকা থেকে সিলেট আসা-যাওয়া নন এসি বাস
৭. ১ রাত হোটেলে থাকার ব্যবস্থা।
৮. নৌকা ভাড়া
৯. সকল পার্কিং/ এন্ট্রি ফি।
যা ঘুরে দেখবো – প্রথম দিনঃ
১. শাহজালাল মাজার
২. সিলেট আন্তর্জাতিকক্রিকেট স্টেডিয়াম
৩. চা বাগান
৪. সিলেট হাই টেক পার্ক
৫. সাদাপাথর, ভোলাগঞ্জ
দ্বিতীয় দিনঃ
১. শাহপরান মাজার
২. সিলেট ক্যান্টনমেন্ট
৩. জৈন্তা রাজবাড়ি
৪. শ্রীপুর চা বাগান
৫. তামাবিল বর্ডার
৬. জাফলং
৭. খাসিয়াপুঞ্জি
৮. মায়াবী ঝর্ণা
৯. জিরোপয়েন্ট ঝুলন্ত ব্রীজ
খাবারের ম্যেনুতে যা থাকছেঃ
সকাল ও রাতে চেষ্টা করা হবে খাবার খাওয়াতে সিলেটের বিখ্যাত হোটেল পাঁচ ভাই, পানশী, পালকিতে বা সিলেট শহরে ভাল কোন হোটেলে।
সকালের নাস্তাঃ পরটা/খিচুরি, ডাল, ডিম ইত্যাদি।
দুপুরের খাবারঃ মুরগি, ভর্তা, ডাল, ভাত, সালাত ইত্যাদী।
রাতের খাবারঃ মাছ/মুরগি, ভর্তা, ভাত, ডাল ইত্যাদী।
ট্যুর প্লানঃ প্রথম দিন সকালে সিলেটে নেমেই চলে যাবো হোটেলে, ব্যাগ রেখে ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করে চলে যাবো শাহজালাল মাজারে। মাজার জিয়ারত শেষে রওয়ানা করবো বাংলার কাশ্মীর খ্যাদ সাদাপাথর ভ্রমণে। যাত্রাপথে আমরা দেখবো সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান, সিলেট হাইটেক পার্ক সহ বেশ কিছু দর্শণীয় স্থান।তারপর চলে যাবো পাথরের রাজ্য সাদাপাথরে। সেখানে ভ্রমণ শেষে দুপুরের খাবার খেয়ে রওনা দিবো সিলেটের উদ্দেশ্যে। হোটেলে পৌঁছে বিশ্রাম নিয়ে রাতে ঘুরে দেখবো সিলেট শহর। কিনব্রীজ, চাঁদনীঘাট, সার্কিট হাউজ, আলী আমজদের ঘড়ি, শারদা হল দেখে চা কিংবা গানের আড্ডা সুরমা নদীর তীরে। এরপর রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়বো সবাই।
দ্বিতীয় দিন সকালে নাস্তা করে রওয়ানা করবো জাফলংয়ের উদ্দেশ্যে। যাত্রা পথে দেখবো সিলেটের শাহী ঈদগাহ, ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ, শাহপরান মাজার, সিলেট ক্যান্টনমেন্ট, জৈন্তা রাজবাড়ী, তামাবিল বর্ডার। এরপর জাফলং পৌঁছে ঘুরে দেখবো জিরো পয়েন্ট ঝুলন্ত ব্রীজ, মায়াবী ঝর্ণা, খাসিয়া পুঞ্জী সহ দর্শনীয়। এরপর জাফলং অথবা জৈন্তাহিল রিসোর্টে দুপুরের খাবার খেয়ে রওনা দিবো সিলেটের উদ্দেশ্য। রাতের খাবার খেয়ে ১০টার মধ্যে রওনা দিব ইনশাআল্লাহ।
শিশু পলিসিঃ ৭ বছরের নিচে সকল শিশুর জন্য বাসের সিট ব্যাতিত সকল কিছু ফ্রি।